The post বাকৃবিতে বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস উদযাপন appeared first on Rialto BD.
]]>The post বাকৃবিতে বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস উদযাপন appeared first on Rialto BD.
]]>The post যে কৌশলগুলো মানলে আমের পরিপূর্ণ স্বাদ পাবেন ! appeared first on Rialto BD.
]]>The post যে কৌশলগুলো মানলে আমের পরিপূর্ণ স্বাদ পাবেন ! appeared first on Rialto BD.
]]>The post রাসূলের (সা.) জীবনে ব্যবসা-বাণিজ্য appeared first on Rialto BD.
]]>রিজিক উপার্জনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো পেশা গ্রহণ করতে বাধ্য করেনি ইসলাম। তবে যে পেশাই অবলম্বন করা হোক তা যেন হালাল হয় সেটার ওপরই জোড় দিয়েছে ইসলাম। হালাল রিজিক উপার্জন করাকে ইসলাম ইবাদত হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘ফরজ ইবাদতসমূহের (নামাজ, রোজা, জাকাত ইত্যাদি) পরে হালাল উপার্জন করাও একটি ফরজ এবং ইবাদতের গুরুত্ব রাখে।’
অন্য হাদিসে এসেছে, ‘কোনো মানুষ এর চেয়ে উত্তম উপার্জন খায়নি যা সে নিজ হাতে উপার্জন করে খায়। নবী দাউদ (আ.) ও নিজ হাতের উপার্জন খেতেন।’ (সহিহ বোখারি)
রিজিক অনুসন্ধানের উত্তম মাধ্যম ব্যবসা
রিজিক অনুসন্ধানের জন্য হুকুম করেছেন মহান আল্লাহ এবং তার রাসূল (সা.)। উপার্জনের গুরুত্ব এবং ফজিলতের দ্বারাই অনুমিত হয় যে, প্রত্যেক নবীই কোনো না কোনো ব্যবসা করতেন।
হজরত আদম (আ.) কৃষি কাজ করতেন। হজরত ইদরিস (আ.) সেলাই কাজ করতেন। হজরত দাউদ (আ.) লোহার বর্ম বানাতেন। আমাদের নবীজি (সা.) ও নিজে ব্যবসা করেছেন। ব্যবসাকে উপার্জনের সবচেয়ে উত্তম মাধ্যম আখ্যা দেয়ার বড় কারণ এটাই যে, নবীজি (সা.) স্বয়ং নিজে ব্যবসা করেছেন। তিনি অন্য আরেকজনের সঙ্গে মিলে শেয়ারে ব্যাপক পরিসরে ব্যবসা করেছেন।
মুদারাবা তথা ব্যবসার মাল আদান-প্রদান করে লাভ নির্দিষ্ট হারে বণ্টন করে নেয়া। এ ধরনের ব্যবসাও করেছেন। নবুওয়াত লাভ করার পূর্বে নবীজি (সা.) মুদারাবার ভিত্তিতে ব্যবসা করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনে সায়েব (রা.)-এর সঙ্গে শেয়ারে ব্যবসা করেছেন।
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সায়েব (রা.) বলেন, আমি জাহেলিয়াতের যুগে নবীজির ব্যবসার শেয়ার ছিলাম। আমি যখন মদিনায় গেলাম তখন নবীজি (সা.) বললেন, আমাকে চিনো? বললাম, কেন চিনব না?
আপনি তো আমার অনেক ভালো ব্যবসার অংশীদার ছিলেন। না কোনো অঙ্গীকার ভঙ্গ করতেন, না কোনো কিছুতে ঝগড়া করতেন!’ (খাসায়েসে কুবরা, উসদুল গাবাহ)
উপার্জনের অনেক রকম পদ্ধতি আছে। বৈধ পন্থায় রিজিক অনুসন্ধান করাকে উত্তম বলেছেন মহান আল্লাহ।
পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নামাজ শেষ হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান করবে ও আল্লাহকে অধিক স্মরণ করবে, যাতে তোমরা সফলকাম হও।’ (সূরা জুমু‘আ, আয়াত : ১০)
ব্যবসা-বাণিজ্যের ফজিলত
সৎ ব্যবসায়ীর শান-মর্যাদা বর্ণনা করে হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বর্ণিত হাদিসে রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘সত্যবাদী আমানতদার ও বিশ্বাসী ব্যক্তি কিয়ামতের দিনে নবীগণ সিদ্দিকগণ এবং শহীদগণের দলে থাকবেন।’ (জামে তিরমিজি, হাদিস : ১২০৯)
রিজিকের ১০টি অংশ। তন্মধ্যে ৯টি অংশ ব্যবসা-বাণিজ্যে নিহিত। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘পেশাদার মুসলমানকে আল্লাহ তায়ালা ভালোবাসেন।
রুটি-রুজির ব্যবস্থা করা মানুষের ওপর ফরজ। মুত্তাকী বান্দাদের নিকট হালাল রিজিক উপার্জন ঈমানের অংশ। জীবন-যাপনে সঙ্কীর্ণতা ইজ্জত-সম্মানের জন্য কলঙ্ক। ব্যবসা-বাণিজ্যে মুসলমানদের অবহেলা অত্যন্ত চিন্তার বিষয়।
হালাল ধনসম্পদ উত্তম জিনিস
নবী কারিম (সা.) হজরত আমর ইবনুল আস (রা.)কে বলেছেন, আমি চাই তোমার উপযুক্ত ধনসম্পদ অর্জন হোক। তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি ধনসম্পদের জন্য মুসলমান হইনি। আমি আমার দিলের টানে মুসলমান হয়েছি।
নবীজি (সা.) বললেন, হালাল ধনসম্পদ অনেক উত্তম জিনিস।’ (মুসনাদে আহমদ)
ব্যবসার উদ্দেশ্য অনেক ব্যাপক
ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য শুধু মুনাফা অর্জন নয় বরং এর দ্বারা মানুষের সঙ্গে পরিচিতি বাড়বে। তখন তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা। আন্তরিকতা দেখানো এবং হাস্যোজ্জ্বলভাবে কথা বলা উচিত। যাতে অন্যদের অন্তরে আপনার ইজ্জত-সম্মান এবং ভালোবাসাও ঠিক থাকে।
তারা আপনার কোনো কথা সহজে মান্য করে। তাহলে ইসলামের সৌন্দর্য অন্যদের কাছে তুলে ধরা সহজ হবে। ঈমানদারীর সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য করার মধ্যে আল্লাহপাক অগণিত রিজিক দানের ওয়াদা করেছেন।
সৎ ব্যবসায়ীর মর্যাদা
সৎ ব্যবসায়ীর শান-মর্যাদা বর্ণনা করে হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বর্ণিত হাদিসে রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘সত্যবাদী আমানতদার ও বিশ্বাসী ব্যক্তি কিয়ামতের দিনে নবীগণ সিদ্দিকগণ এবং শহীদগণের দলে থাকবেন।’ (জামে তিরমিজি, দারাকুতনি ও দারেমি)
ব্যবসা পছন্দ আল্লাহপাকের
হালাল রিজিক উপার্জনের জন্য যে পন্থাই অবলম্বন করা হোক এটা পছন্দ করেন মহান রাব্বুল আলামিন। যে ব্যক্তি নিজের পরিবার-পরিজনের পেট চালানোর জন্য কষ্ট করে সে যেন আল্লাহর রাস্তায় আছে।
আর যে ব্যক্তি নিজের বৃদ্ধ পিতা-মাতার পেট চালানোর জন্য কষ্ট করে এবং মানুষের কাছে যাতে হাত পাততে না হয় সে জন্য হালাল উপার্জন করে সেও আল্লাহর রাস্তায় আছে।’ (তাবরানি; আততারগিব ওয়াত তারহিব)
আখেরাতের জন্যও সম্পদ থাকা জরুরি
আখেরাতে উত্তম জীবন-যাপনের জন্যও ধনসম্পদ থাকা জরুরি। যাতে আল্লাহর সৃষ্টিজীব এবং নিজের অধীনদের ওপর মন খুলে খরচ করা যায়। বর্তমানে মুসলমানদের মধ্যে সবচে বেশি মানুষ অকর্মণ্য। মুসলমানদের জন্য উচিত ব্যবসা-বাণিজ্যে আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে আসা।
কেননা ব্যবসা-বাণিজ্যে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়। এতে এগিয়ে আসলে ইনশাআল্লাহ অকর্মণতাও দূর হবে। জীবনেও ফিরে আসবে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য।
ব্যবসা-বাণিজ্যে ধোঁকা-প্রতারণা থেকে বেঁচে থাকা
ব্যবসা, কারিগরি এবং পেশা অবলম্বনের অনেক ফজিলত রয়েছে। কিন্তু এ সমস্ত ফজিলতগুলো ঐ ব্যবসায়ীর জন্য যিনি ইসলামী নীতিমালা এবং নবীজি (সা.)-এর নির্দেশিত পদ্ধতি অনুযায়ী ব্যবসা করবে।
ধোঁকাবাজ মুসলমান হতে পারে না। ধোঁকা দেয়া, মিথ্যা বলা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। প্রকৃতপক্ষে ধোঁকাদাতা খোদ নিজেকেই ধোঁকা দেয়।
নবী কারিম (সা.) ইরশাদ করেন, ‘ধোঁকা দেয় ও প্রতারণা করে সে আমার দলভুক্ত নয়।’ (সহিহ বোখারি ও সহিহ মুসলিম)
তাই একজন মুসলমান ব্যবসায়ীকে ধোঁকা, প্রতারণা থেকে সব সময় বেঁচে থাকতে হবে। এ ব্যাপারটা মানতে পারলে ব্যবসায়ীর সততা এবং ঈমানদারীর চর্চা অব্যাহত থাকে।
সবচে বড় কথা হল, এতে আল্লাহর রহমত এবং বরকত হয়। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘হালাল যদিও কম হয়, কিন্তু এতে বরকত আছে।’
পণ্য বিক্রি করার জন্য মিথ্যা না বলা
সূরা আলে ইমরানের ৬১নং আয়াতে বলা হয়েছে, মিথ্যার ওপর অভিশাপ দিয়েছেন মহান আল্লাহ।
নবীজি (সা.) বলেছেন, ব্যবসায়ী গোনাহগার এবং অসভ্য। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ব্যবসা-বাণিজ্যকে কি আল্লাহ হালাল করেননি?
নবীজি (সা.) উত্তরে বললেন, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পূর্ণ বৈধ। কিন্তু অধিকাংশ ব্যবসায়ী মিথ্যা কসম করে। নিজের পণ্যের ব্যাপারে মিথ্যা মিথ্যা বিবরণ দেয়। এভাবে অধিকাংশ মানুষ গোনাহগার হয়ে যায়। আল্লাহর পানাহ! আল্লাহর পানাহ! (মুসনাদে আহমদ)
আজকাল মুসলমান ব্যবসা-বাণিজ্যে অনেক পিছিয়ে। যারাও বা ব্যবসা করছেন তারাও ইসলামের নির্দেশনা এবং নবীজি (সা.)-এর আদর্শের মূলনীতি জানেন পর্যন্ত না। জানলেও আমলে নেন না।
মুসলমানদের উচিত নবীজি (সা.) এর ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত নির্দেশনা অধ্যয়ন করা। ইসলামের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলা। তাহলে ইনশাআল্লাহ সফলতা আমাদের পদচুম্বন করবে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে নবীর সুন্নত ব্যবসাকে আপন করে নেয়ার এবং ঈমানদারী, চেষ্টা-প্রচেষ্টা, মন দিয়ে ইসলামের নির্দেশনা মোতাবেক ব্যবসা করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
লেখক:
মুফতি নূর মুহাম্মদ রাহমানী
মুহাদ্দিস জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম বাগে জান্নাত
চাষাড়া, নারায়ণগঞ্জ
The post রাসূলের (সা.) জীবনে ব্যবসা-বাণিজ্য appeared first on Rialto BD.
]]>The post আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতার সেরা দশ appeared first on Rialto BD.
]]>বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থীর ১৫০ এর অধিক ছবি প্রতিযোগিতায় জমা পড়ে। প্রতিটা ছবিই স্ব স্ব ক্যাম্পাসকে স্বমহিমায় উপস্থাপন করেছে।
সেরা তিন নির্বাচন করতে আমাদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে। তবে বিচারপ্রক্রিয়া অধিক গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রতি ধাপেই বিচারকদের মূল্যায়ণকে ৬০% ও দর্শক ভোটকে ৪০% ধরে হিসেব করা হয়েছে।
সেরা দশের প্রতিটি ছবিই দারুন ছিলো। তবে প্রতিযোগিতার নিয়মানুযায়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয়সহ সেরা দশটি ছবিকে বাছাই করা হয়েছে। বিজয়ীদের জন্য রয়েছে সনদপত্র ও আকর্ষণীয় পুরস্কার।
প্রথম স্থান- ১৫০০ টাকা মূল্যের আকর্ষণীয় পুরস্কার
দ্বিতীয় স্থান- ১০০০ টাকা মূল্যের আকর্ষণীয় পুরস্কার
তৃতীয় স্থান- ৫০০ টাকা মূল্যের আকর্ষণীয় পুরস্কার
চতুর্থ-দশম স্থান- Rialto BD এর যেকোনো পণ্যে ১৫% এক্সট্রা ছাড়ের কুপন। * শর্ত প্রযোজ্য
বিশেষ দ্রষ্টব্য: বিজয়ীদেরকে (সেরা দশের সকলকে) নিম্নোক্ত তথ্যগুলো ৮ ডিসেম্বরের মধ্যে info@localhost তে ইমেইল করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
প্রতিযোগিতায় স্থান:
নামঃ (বাংলা ও ইংরেজিতে)
বর্তমান ঠিকানাঃ
ফোন নাম্বারঃ
ইমেইলঃ
ছবিঃ সদ্য তোলা পোট্রেট ছবি সংযুক্ত করতে হবে।

প্রতিযোগিতায় স্থান: ১ম
ফটোগ্রাফারঃ জীবন সাহা
ছবি: শেখ হাসিনা চত্বর
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর

প্রতিযোগিতায় স্থান: ২য়
ফটোগ্রাফারঃ নিশাত তাসনীম
ছবি: কার্জন হল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিযোগিতায় স্থান: ৩য়
ফটোগ্রাফারঃ তিলোত্তমা সরকার পূজা
ছবি: ক্যাম্পাস
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিযোগিতায় স্থান: ৪র্থ
ফটোগ্রাফারঃ জান্নাতুল ফেরদৌস
ছবি: বধ্যভূমি এলাকা, পশ্চিমপাড়া
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিযোগিতায় স্থান: ৫ম (যুগ্মভাবে)
ফটোগ্রাফারঃ মেফতাহে জিন্নাত (হিমা)
ছবি: বোটানিক্যাল গার্ডেন,
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিযোগিতায় স্থান: ৫ম (যুগ্মভাবে)
ফটোগ্রাফারঃ সৌরভ
ছবি: একাডেমিক বিল্ডিং
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর

প্রতিযোগিতায় স্থান: ৬ষ্ঠ
ফটোগ্রাফারঃ ইমরান হামিদ
ছবি: অ্যাগ্রোনোমি ফিল্ড,
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিযোগিতায় স্থান: ৭ম
ফটোগ্রাফারঃ মোঃ মিরাজুল আল মিশকাত
ছবি: ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল,
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিযোগিতায় স্থান: ৮ম
ফটোগ্রাফারঃ সাবরিনা সুলতানা
স্থানঃ টিএসসি
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিযোগিতায় স্থান: ৯ম (যুগ্মভাবে)
ফটোগ্রাফারঃ ফাহিম আহমেদ
ছবি: নদের পাড়,
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিযোগিতায় স্থান: ৯ম (যুগ্মভাবে)
ফটোগ্রাফারঃ মো. আলিমুর রহমান
ছবি: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার,
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিযোগিতায় স্থান: ১০ম (যুগ্মভাবে)
ফটোগ্রাফারঃ মামুন হুসাইন
ছবি: চারুকলা অনুষদ ভবন,
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিযোগিতায় স্থান: ১০ম (যুগ্মভাবে)
ফটোগ্রাফারঃ ফারিহা ফারজানা লুবা
ছবি: স্বাধীনতা স্মারক
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর
ছবি নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়াতে সহযোগিতা করেছেন সম্মানিত বিচারকমণ্ডলী।

বিচারকদের প্রতি আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।
এছাড়াও যারা দর্শক ভোট দিয়ে পুরো প্রতিযোগিতাটিকে প্রাণবন্ত রেখেছিলেন তাদেরকে সকলের প্রতি রইলো আন্তরিক অভিনন্দন ও ভালোবাসা।
রিয়ালটো বিডি সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন ও পেজ এ লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন। পেজ লিংক- http://www.facebook.com/rialtobdshop
রিয়ালটো বিডি’র অফিসিয়াল গ্রুপে সাথে যুক্ত হতে জয়েন করুন- https://www.facebook.com/groups/728691794569037/?ref=share
রিয়ালটো বিডি’র অফিসিয়াল অ্যাপ ডাউনলোড লিংক-
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.world_tech_point.rialtobd_app
সর্বোপরি তরুণ উদ্যোক্তাদের পণ্য কিনতে ভিজিট করুন-
বিজয়ীদের ইমেইল পাওয়ার পর শীঘ্রই সেরা ৩ জনের কাছে পুরস্কার পাঠিয়ে দেয়া হবে। আর বাকিদের বিশেষ ছাড়ের কুপন দেয়া হবে ইনশাল্লাহ।
ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন,
নিশ্চিন্তে কেনাকাটা করুন
তরুণ উদ্যোক্তাদের স্বপ্নের বাজারে।
#Rialto_BD_Inter_University_Mobile_ Photography _Contest_2020
The post আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতার সেরা দশ appeared first on Rialto BD.
]]>The post আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় মোবাইল ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড ফলাফল appeared first on Rialto BD.
]]>বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন এই প্রতিযোগিতায়। বিভিন্ন ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সময়ে তোলা ১৫০ এর অধিক ছবি প্রতিযোগিতায় জমা পড়ে। প্রতিটা ছবি যেনো সেই ক্যাম্পাসকে স্বমহিমায় উপস্থাপন করেছে।
তবে প্রতিযোগিতার নিয়মানুসারে চূড়ান্ত পর্বের জন্য প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় গ্রুপ থেকে তিনটি ছবি বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত থাকলেও বেশ কিছু ভালো ছবি বাদ পড়ে যাচ্ছিল। একারণে বিচারক ও দর্শকদের মূল্যায়ণের ভিত্তিতে বাকৃবি ও রাবি থেকে সেরা তিনটি ছবির পরিবর্তে সেরা ৫ টি ছবিকে নির্বাচিত করা হয়েছে।
এছাড়াও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে একটি করে তিনটি পর্যন্ত ছবি চূড়ান্ত পর্বের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
প্রতিযোগিতার সকল আপডেট নিয়মিত পেতে রিয়ালটো বিডি’র পেজটিতে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন।
চূড়ান্ত পর্বের বিস্তারিত Rialto.com.bd ফেসবুক পেজে জানানো হবে। পেজ লিংক- http://www.facebook.com/rialtobdshop
নিচে সকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্বাচিত সেরা ছবিগুলো দেয়া হলো। এখানে থেকে খুঁজে নিন আপনার ক্যাম্পাসের সেরা ছবিটি।

স্থানঃ অ্যাগ্রোনোমি ফিল্ড,
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ ইমরান হামিদ

স্থানঃ নদের পাড়,
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ ফাহিম আহমেদ

স্থানঃ বোটানিক্যাল গার্ডেন,
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ মেফতাহে জিন্নাত (হিমা)

স্থানঃ নদের পাড়,
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ সাদিয়া ইসলাম সিনজা

স্থানঃ আব্দুল জব্বারের মোড় টু শহীদ মিনার রোড,
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ হাবিবুর রহমান

স্থানঃ মেঘলাকাশে রাবি সুইমিংপুল,
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ মো. ওমর ফারুক

স্থানঃ শহীদ জোহা দিবসে রাবি প্রশাসন ভবনের ছাদ থেকে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ শিমুল সুয়াইব

স্থানঃ শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল,
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ অন্তর রয় প্রণব

স্থানঃ বধ্যভূমি এলাকা, পশ্চিমপাড়া
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ জান্নাতুল ফেরদৌস

স্থানঃ চারুকলা অনুষদ ভবন,
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ মামুন হুসাইন

স্থানঃ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার,
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ মো. আলিমুর রহমান

স্থানঃ গোলচত্ত্বর
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ আনিকা তাহসিন

স্থানঃ ঝুলন্ত ব্রীজ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ মঈন উদ্দিন চিশতি

স্থানঃ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল,
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ মোঃ মিরাজুল আল মিশকাত

স্থানঃ ভবন (২য়)
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ সাবরিনা সুলতানা
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

স্থানঃ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ শাকিল হাসান

স্থানঃ মূর্তি ও ভবন
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ আলফা রেজা মিতু

স্থানঃ ভাস্কর্য
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ ফাহিম আহমেদ রানা

স্থানঃ রাস্তা
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ অন্তরা রায়

স্থানঃ প্রশাসনিক ভবন
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ আব্দুল্লাহ আল তারিক

স্থানঃ ভাস্কর্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ জাকিয়া জেবা

স্থানঃ কার্জন হল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ নিশাত তাসনীম

স্থানঃ বিশ্ববিদ্যালয় মাঠ
গণ বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ মারিয়া কিবতিয়া নিশাত

স্থানঃ শেখ রাসেল হল
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,গোপালগঞ্জ
ফটোগ্রাফারঃ মো:সাব্বির খান

স্থানঃ ক্যাম্পাস
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ফটোগ্রাফারঃ তিলোত্তমা সরকার পূজা

স্থানঃ একাডেমিক বিল্ডিং
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর
ফটোগ্রাফারঃ সৌরভ

স্থানঃ স্বাধীনতা স্মারক
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর
ফটোগ্রাফারঃ ফারিহা ফারজানা লুবা

স্থানঃ শেখ হাসিনা চত্বর
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর
ফটোগ্রাফারঃ জীবন সাহা
ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন,
নিশ্চিন্তে কেনাকাটা করুন
তরুণ উদ্যোক্তাদের স্বপ্নের বাজারে।
#Rialto_BD_Inter_University_Mobile_ Photography _Contest_2020
The post আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় মোবাইল ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড ফলাফল appeared first on Rialto BD.
]]>The post অর্গানিক পণ্যে নির্ভরতা বাড়ছে appeared first on Rialto BD.
]]>সময়ের বিবর্তনে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতাকে কাজে লাগিয়ে মানুষ খাদ্যপণ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে অল্প জমিতে অধিক ফসল উৎপাদন প্রক্রিয়া গ্রহণ করে। শুরু হয় উচ্চ ও অধিক ফলনশীল বীজের ব্যবহার, বাজার থেকে কিনতে হয় এবং একবারই ব্যবহার করা যায়। জৈবসারের পরিবর্তে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয় ইউরিয়া, পটাশ, ফসফেটসহ বিভিন্ন রাসায়নিক সার। পোকা দমনে ব্যবহার হয় বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক। এতে চাল, ডাল, শাক-সবজিসহ কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন বেড়ে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। নষ্ট হয়ে গেছে মাটি ও পরিবেশের গুণাগুণ। খাদ্য নিরাপত্তা বাড়লেও নিরাপদ খাদ্যে পিছিয়ে যায়। গত বছর খাদ্যে মাত্রাতিরিক্ত ক্ষতিকর পদার্থ পাওয়ায় ৫২টি পণ্য বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে নিজেদের ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ভোক্তারা। ফলে নিরাপদ খাদ্যের প্রয়োজনে বেড়েছে অর্গানিক পণ্যের চাহিদা।
বর্তমানে উচ্চ ও মধ্যবিত্তের অনেকেই দৈনন্দিন বাজারের প্রতিটি পণ্যই অর্গানিক কেনার চেষ্টা করছেন। ফলে দ্রুত বাড়ছে অর্গানিক পণ্যের বাজার। তবে চাহিদার সুযোগ নিয়ে অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অর্গানিক নাম দিয়ে ভেজাল পণ্যও বিক্রি করছেন, যা এ বাজারের আস্থা নষ্ট করছে বলে মনে করেন উদ্যোক্তারা। অর্গানিকের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ও মান যাচাইয়ের ব্যবস্থা না থাকায় এমনটা হচ্ছে বলে তাঁরা মনে করেন। এ জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষাগার গড়ে তোলার দাবি করছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। পাশাপাশি সরকারের তদারকির কথাও বলছেন তাঁরা।
অর্গানিক পণ্য কী?
অর্গানিক শব্দের বাংলা অর্থ জৈব। সাধারণভাবে অর্গানিক খাদ্য বলতে কোনো প্রকার রাসায়নিক বা কীটনাশক ব্যবহার ছাড়া উৎপাদিত পণ্যকে বোঝায়। এ ক্ষেত্রে আরো কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। জমিতে আগে রাসায়নিক ব্যবহার হলে তা মুক্ত করা, বীজ হতে হবে প্রাকৃতিকভাবে সংগৃহীত, বাজার থেকে কেনা হাইব্রিড বীজ নয়। উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত কোনো ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা যাবে না ওই পণ্যে।
অর্গানিক লোগো
জানা যায়, ২০১৫ সালে বাংলাদেশ অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বারি) অর্গানিক পণ্য নিয়ে একটি গাইডলাইন তৈরি করে। গাইডলাইন অনুযায়ী পণ্য তৈরি করলে বারি থেকে অর্গানিক সনদ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। বারির সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের গাইডলাইনে অর্গানিক পণ্যের প্রতিটি স্তরের ব্যবস্থাপনার আলাদা আলাদা করণীয় বলা হয়েছে। অনেকেই সে আলোকে পণ্য উৎপাদনও করছেন। যাঁরা করছেন তাঁদের আমরা একটি ‘অর্গানিক লোগো’ দিয়েছি যা, পণ্যে ব্যবহার করতে পারবে। এতে মানুষ বুঝবে এটি আসলেই অর্গানিক পণ্য। এটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ‘আইফম অর্গানিক’ এর আলোকে তৈরি করা হয়েছে।’
পরিবেশবান্ধব কৃষি
আন্তর্জাতিক অর্গানিক পণ্যের মান ও গাইডলাইন তদারকি প্রতিষ্ঠান আইফম অর্গানিক ইন্টারন্যাশনালের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, অর্গানিক কৃষি প্রচলিত কৃষিকাজের চেয়ে পরিবেশবান্ধব। এ ক্ষেত্রে ফসল ও প্রাণিসম্পদ উৎপাদনে কোনো প্রকার কীটনাশক, সার, জিনগতভাবে পরিবর্তিত জীব, অ্যান্টিবায়োটিক এবং গ্রোথ হরমোন ব্যবহার করা যাবে না। পণ্যের পুষ্টির প্রাকৃতিক উৎস যেমন কম্পোস্ট, ফসলের অবশিষ্টাংশ দিয়ে তৈরি সার ব্যবহার করতে হবে। এ ছাড়া শস্য এবং আগাছা নিয়ন্ত্রণের প্রাকৃতিক পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। অর্গানিক পণ্য উৎপাদনে আইফমের চারটি মূলনীতি রয়েছে—স্বাস্থ্য, বাস্তুশাস্ত্র, ন্যায্যতা ও যত্ন।
কেন প্রয়োজন
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অধিক উৎপাদনের আশায় দেশে উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড ও জিএম শাক-সবজিসহ অন্যান্য ফসল ও ফলমূল উৎপাদনে ঝুঁকছেন কৃষক। এসব পদ্ধতিতে দফায় দফায় প্রয়োগ করা হয় বিষাক্ত কীটনাশক। আবার বাজারজাত করার আগে পাকানোর জন্য কার্বাইড ও পচন রোধে অতিমাত্রায় রাসায়নিক প্রয়োগ করা হচ্ছে। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে শাক-সবজি ও ফলমূলে মেশানো হচ্ছে নানা বিষাক্ত পদার্থ, যা ওই সব খাদ্যের সঙ্গে মানবদেহে প্রবেশ করছে। এসব খাদ্য খেয়ে কমে যাচ্ছে জীবনী শক্তি ও আয়ুষ্কাল। সঙ্গে শরীরে বাসা বাঁধছে নানা রোগব্যাধি। ভয়ংকর এসব বিপদ থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজন অর্গানিক পণ্য।
মান যাচাই হচ্ছে না
আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা, বারির গাইডলাইন থাকলেও দেশে অর্গানিক পণ্যের মান যাচাইয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। নেই কোনো তদারকির ব্যবস্থাও। জানতে চাইলে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউটের (বিএসটিআই) পরিচালক সাজ্জাদুল বারী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অর্গানিক পণ্যের মান সনদ বা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য আলাদাভাবে কোনো ব্যবস্থা নেই। এ বিষয়গুলো তদারকির দায়িত্বও আমাদের নয়। আমাদের আওতাধীন ১৮১টি বাধ্যতামূলক পণ্যের মান যাচাই করি।’ খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ বিষয়ে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কাছেও কোনো নীতিমালা নেই।
অর্গানিক স্ট্যান্ডার্ড বোর্ড
বাংলাদেশ সরকার অর্গানিক চাষাবাদ বাড়াতে ‘ন্যাশনাল অর্গানিক অ্যাগ্রিকালচার পলিসি-২০১৬’ বাস্তবায়ন ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘ন্যাশনাল অর্গানিক স্ট্যান্ডার্ড বোর্ড’ গঠনের পরিকল্পনা নিয়েছে। ইতিমধ্যেই ‘অর্গানিক অ্যাগ্রিকালচার স্ট্যান্ডার্ড’ নামে একটি নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। তার আগে ২০১৬ সালে মান ও নীতিমালা তৈরি করতে কৃষিসচিবকে সদস্যসচিব করে একটি জাতীয় কমিটি করা হয়। ১৩ সদস্যের কমিটিতে এই খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অর্গানিক প্রডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কামরুজ্জামান মৃধাও রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এই নীতিমালা পাস হলে এই খাতে শৃঙ্খলা আসবে বলে আমরা মনে করছি। মান যাচাই, সার্টিফিকেশন ও বাজার তদারকির ব্যবস্থা না থাকলে বিভিন্ন ব্যক্তিপ্রতিষ্ঠান অর্গানিক নাম দিয়ে পণ্য বিক্রির সুযোগ পাবে, যা এখন হচ্ছে। এ ছাড়া ভোক্তাও প্রতারিত হবেন। এসব বিবেচনায় এই নীতিমালা করার জন্য আমরা সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছিলাম। নীতিমালায় এই খাতের দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান, সনদ প্রদানের নিয়ম, আবেদনের নিয়ম, উৎপাদন নীতি, সিনথেটিকস ব্যবহারের নীতি ইত্যাদি সব কিছুই বিস্তারিত বলা হয়েছে।’
বড় হচ্ছে বাজার
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট দোকান গড়ে তুলে সেখানে অর্গানিক পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। অনেকে ব্যক্তি উদ্যোগে খামারে অর্গানিক পণ্য উৎপাদন করছেন। গত দু-তিন বছরে কিছু কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে অর্গানিক পণ্য উৎপাদন ও বিপণনে। বাজারে এখন কাজী গ্রুপের চা, পুর্ণাভা নামের একটি প্রতিষ্ঠানের চাল, সুপারশপ মীনা বাজারে চাল, শাক-সবজিসহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠানের পণ্য পাওয়া যায়। এ ছাড়া অনেক প্রতিষ্ঠান অর্গানিক ফার্টিলাইজার, পেস্টিসাইড, মুড়ি, মধু, ফল, সরিষার তেল, দই ইত্যাদি পণ্যও তৈরি করছে। তবে কতটি প্রতিষ্ঠান আছে এবং কী পরিমাণ পণ্য এই খাতে তৈরি হচ্ছে তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান তৈরি হয়নি। যদিও অর্গানিক পণ্য তৈরিকারী উদ্যোক্তাদের অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ৫২টি প্রতিষ্ঠান।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখনো অর্গানিক পণ্য বিশেষ করে শাক-সবজি ও কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন হয় ব্যক্তি উদ্যোগে এবং সেগুলো খুব সীমিত। ফলে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেই তাদের খরচ তুলতে হয়। এ ছাড়া এসব পণ্যের ক্রেতা সীমাবদ্ধ থাকছে উচ্চবিত্তদের মধ্যেই। মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরেই থাকছে এসব পণ্য।
সূত্র: কালের কন্ঠ, ৮ নভেম্বর ২০২০
The post অর্গানিক পণ্যে নির্ভরতা বাড়ছে appeared first on Rialto BD.
]]>The post রিয়ালটো বিডির আয়োজনে ‘আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় মোবাইল ফটোগ্রাফি কন্টেস্ট-২০২০’ শুরু appeared first on Rialto BD.
]]>শিক্ষার্থীরা নিজ ফোনের ক্যামেরায় বন্দি করা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সময়ের ও বিভিন্ন স্থানের মনোমুগ্ধকর ছবিগুলো পাঠিয়ে আকর্ষণীয় পুরস্কার ও সনদপত্র অর্জন করার সুযোগ পাবেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে সেরা তিন ফটোগ্রাফার পাবেন মোট ৩০০০ টাকার পুরস্কার ও সনদপত্র। প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার, দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার, তৃতীয় পুরস্কার ৫০০ টাকার। এছাড়াও প্রথম ১০ জনের জন্য রয়েছে রিয়ালটো বিডি’র যেকোনো পণ্যে বিশেষ ছাড়।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের নিয়মাবলীঃ
১. বিভিন্ন ঋতুতে/সময়ে তোলা নিজের ক্যাম্পাসের ছবি রিয়ালটো বিডি’র স্ব স্ব ক্যাম্পাস গ্রুপে পোস্ট করতে হবে।
২. ছবি পোস্ট করার সময় পোস্টের উপরে #RialtoBD_Campus_Photography_Contest_2020 হ্যাশট্যাগ দিতে হবে। এরপর নিজের নাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, স্থানের নাম, ফোনের মডেল ও ক্যামেরা স্পেসিফিকেশন উল্লেখ করতে হবে।
৩. একজন ফটোগ্রাফার নিজের ক্যাম্পাসের স্থান ও সময় ভেদে সর্বোচ্চ ৫ টি ছবি একসাথে পোস্ট করতে পারবেন। একবারের বেশি ছবি পোস্ট করা যাবে না।
৪. বিস্তারিত জানতে ও ছবি জমা দিতে রিয়ালটো বিডি’র স্ব স্ব ক্যাম্পাস গ্রুপে জয়েন করতে হবে।
৫. অবশ্যই নিজের তোলা ছবি পাঠাতে হবে। অন্য কেউ কপিরাইট ক্লেইম করলে প্রতিযোগিতা থেকে বাতিল বলে গণ্য করা হবে।
৬. বিচারকদের মূল্যায়ণ ও দর্শকদের ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচন করা হবে। বিজয়ীদের জন্য রয়েছে সনদপত্র ও পুরস্কার।
ছবি নির্বাচন প্রক্রিয়াঃ
১. প্রথম ধাপঃ প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে তিনজন ফটোগ্রাফারের তিনটি করে ছবি নির্বাচন করা হবে।
২. দ্বিতীয় ধাপঃ এরপর সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিতদের নিয়ে রিয়ালটো বিডি এর অফিসিয়াল পেজ @Rialto.com.bd তে ফাইনাল রাউন্ড পরিচালিত হবে। তার মধ্য থেকে সেরা তিনজন ফটোগ্রাফারকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
৩. প্রতি ধাপেই বিচারকদের মূল্যায়ণকে ৫০% ও দর্শকদের লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের রেটিং কে ৫০% ধরে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হবে।
প্রথম ধাপঃ
৫ নভেম্বর থেকেই গ্রুপে পোস্ট করা ছবি অ্যাপ্রুভ করা হবে। প্রতিদিন সকাল ১০ টায় ও সন্ধ্যা ৭ টায় ছবি অ্যাপ্রুভ করা হবে।
অ্যাপ্রুভ করা পোস্টে লাইক, কমেন্ট বাড়ানোর জন্য পোস্ট নিজেদের বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতদের কাছে শেয়ার করতে পারবেন।
পোস্টে কমেন্টকারীকে প্রতিটি ছবির জন্য ১-৫ পর্যন্ত যেকোনো সংখ্যায় রেটিং দিতে হবে। ভগ্নাংশ রেটিং গণনা করা হবে না। কমেন্টকারীকে একটি পোস্টের ৫ টি ছবির জন্য (ক- ৫, খ- ৩, গ- ৪, ঘ- ৫, ঙ- ৪) এভাবে একটি কমেন্টের মাধ্যমে রেটিং প্রদান করতে হবে। এই রেটিং গ্রহণ চলবে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত।
১৭ নভেম্বরের মধ্যে প্রথম ধাপের ফলাফল প্রকাশ করা হবে। প্রথম ধাপে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে তিনজন ফটোগ্রাফারের তিনটি করে ছবি নির্বাচন করা হবে।
দ্বিতীয় ধাপঃ
২০ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ধাপের কার্যক্রম শুরু হবে।
দ্বিতীয় ধাপে প্রতিটি ক্যাম্পাস থেকে বিজয়ী তিনজন ফটোগ্রাফারের তিনটি করে ছবি নিয়ে সবগুলো ছবি রিয়ালটো বিডি’র অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ @Rialto.com.bd তে একটি পোস্টে দেয়া হবে।
ওই পোস্টে দর্শকরা সর্বনিম্ন ১টি ও সর্বোচ্চ ৩টি ছবি বাছাই করে ভোট প্রদান করবেন। দর্শকরা শুধু ছবিতে উল্লেখিত নাম্বার কমেন্টে উল্লেখ করবেন।
দর্শকদের ভোট ও বিচারকদের মূল্যায়নের মাধ্যমে তিনজন বিজয়ী নির্বাচন করা হবে।
প্রতি ধাপেই বিচারকদের মূল্যায়ণকে ৫০% ও দর্শকদের লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের রেটিং কে ৫০% ধরে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হবে।
রিয়ালটো বিডির অফিশিয়াল পেজ লিংক- https://www.facebook.com/Rialtobdshop/
রিয়ালটো বিডির অফিশিয়াল গ্রুপ লিংক- https://www.facebook.com/groups/728691794569037/?ref=share
এছাড়া যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন-
০১৭৬৭ ৩৮৮২৮৭ অথবা ০১৭৬৬ ৪১১৯৪৬ নাম্বারে।
The post রিয়ালটো বিডির আয়োজনে ‘আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় মোবাইল ফটোগ্রাফি কন্টেস্ট-২০২০’ শুরু appeared first on Rialto BD.
]]>The post সহ-প্রতিষ্ঠাতারা নিজেই যখন ডেলিভারিম্যান appeared first on Rialto BD.
]]>

আইডিয়া মূলত Help Bangladesh Foundation এর Abul Bashar Meraz ভাইয়ের। এছাড়া www.rialto.com.bd এর প্রতিষ্ঠাতা Nabil Tahmid Rushod ভাইয়ের সমন্বয়ে দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে ক্যাম্পেইনটি পরিচালনা করে।
সামাজিক কাজের অংশ হিসেবে এবং দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দায়বদ্ধতা থেকে প্রতিষ্ঠান দুটির এই উদ্যোগে যারা দই কিনে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতঙ্গতা।
আমি ও রিয়ালটো এর আরেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা Abdullah Al Amin ভাইসহ ঢাকায় কিছু জায়গায় দই ডেলিভারির অভিজ্ঞতা অর্জন করি। উপভোগ করেছি পুরোটা সময়।
The post সহ-প্রতিষ্ঠাতারা নিজেই যখন ডেলিভারিম্যান appeared first on Rialto BD.
]]>The post বগুড়ার দই কিনুন সুবিধাবঞ্চিতদের সাহায্য করুন appeared first on Rialto BD.
]]>The post বগুড়ার দই কিনুন সুবিধাবঞ্চিতদের সাহায্য করুন appeared first on Rialto BD.
]]>The post বিশেষ ক্যাশব্যাক অফার ! appeared first on Rialto BD.
]]>অফারটি উপভোগ করতে-
১। গ্রাহককে অবশ্যই রিয়ালটো বিডি থেকে ২০০+ টাকার পণ্য কিনতে হবে।
২। পণ্যের সম্পূর্ণ মূল্য বিকাশে পেমেন্ট করতে হবে। ক্যাশ অন ডেলিভারিতে এই অফার প্রযোজ্য নয়।
৩। পেমেন্টের ২০ মিনিটের মধ্যেই ২০ টাকা গ্রাহকের বিকাশ একাউন্টে ক্যাশব্যাক হিসেবে দেয়া হবে।
৪। প্রথম ৫০ জন এই অফারের আওতাভুক্ত থাকবেন।
৫। একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ একবার এই সুবিধা পাবেন।
৬। অফারটি ২৭/০৮/২০২০ থেকে ০২/০৯/২০২০ পর্যন্ত চালু থাকবে।
নিশ্চিন্তে কেনাকাটা করুন তরুণ উদ্যোক্তাদের স্বপ্নের বাজারে।
বি.দ্রঃ অফার চলাকালীন সময়ে যেকোনো পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের অধিকার রাখে রিয়ালটো বিডি। তবে যেকোনো পরিবর্তন রিয়ালটো বিডির অফিসিয়াল পেজ ও গ্রুপে জানিয়ে দেয়া হবে।
The post বিশেষ ক্যাশব্যাক অফার ! appeared first on Rialto BD.
]]>